মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি

বৃটিশ আমলে তাহিরপুর থানাটি মোলস্নাপাড়া নামক স্থানে স্থাপন করা হয়। ১৩০৪ বাংলা সনে ভূমিকম্পে মোলস্নাপাড়াসহ আশপাশ বিদ্ধসত্ম হয়ে পড়ে। পরবতীতে থানাটি তাহিরপুরে(বর্তমান স্থান) স্থানান্তরিত করা হয়। তাহিরপুর নিবাসী গজেন্দ্র সাহা নামক জনৈক ব্যাক্তির জায়গায় থানা স্থাপন করা হয়। প্রথম স্থানা স্থাপিত হয় ১৯১১ সালে । তখন ইউনিয়ন ছিল ০৪টি(তাহিরপুর,বাদাঘাট,বড়ল ও শ্রীপুর ইউনিয়ন)। ১৯৮৩ সালে ০২ আগষ্ট উক্ত তাহিরপুর থানাকে উন্নীত থানায় রম্নপান্তর করা হয়, যাহা পরবর্তীকালে তাহিরপুর উপজেলা। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর০৪(চার)টি ইউনিয়নকে ভেঙ্গে(০৮) আটটি ইউনিয়নে পরিনত করা হয়। পরবর্তীকালে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা গঠনকালে বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়নকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সাথে সমন্বয় করা হয়। ফলে বাকী ০৭(সাত)টি ইউনিয়ন নিয়ে আজকের তাহিরপুর উপজেলা গঠিত।

          এ উপজেলাটি বাংলার একটি প্রাচিন জনপদ। এ উপজেলাটি প্রাচীন লাউড় রাজ্যেও অধীন ছিল। লাউড়ের রাজধানী এ উপজেলায় ছিল এবং এর ধ্বংসাবশেষ হলহলিয়া গ্রামে এখনো বিদ্যমান। এ উপজেলার নবগ্রামে শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্যদেবের অন্যতম পার্শ্বদ অদৈত্যার্যেও জন্মস্থান পনাতীর্থ নামক স্থপানে রেনুকা নদীতে প্রতি বছর হিন্দুধর্মেও ঐতিহাসিক বারম্নণী সণান ও মেলার আয়োজন হয়। রাউড়ের গড়ে হযরত শাহ্ আরেফিন(রঃ) এর ম,াজার অবস্থিত। এখানে প্রতি বছর ওরশ মাহফির অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর বারম্নণী সণান ও ওরশ মাহফিল একই সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ায় হাজারো হিন্দু মুসলমান এর মহাসমারোহ৮ ঘটে থাকে।