মেনু নির্বাচন করুন

টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প

চুনাপাথরের প্রাকৃতিক ভান্ডার রয়েছে টেকেরঘাটেবিচিত্র উপায়ে চুনাপাথর সংগ্রহের পদ্ধতি সত্যিই বিস্ময়করসিমেন্ট শিল্পের জন্য অত্যাবশ্যকীয় এই চুনাপাথরকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে গ্রামীণ আবহে পাহাড়ী খনি অঞ্চলএকদিকে সুউচ্চ পাহাড়ের মধ্য থেকে চুনাপাথর সংগ্রহ প্রক্রিয়ার আধুনিক আয়োজনআর এ পারে বাংলাদেশে বিশাল বিস্তৃত হাওরদিগন্তে মেশা সবুজ ধানের মাঠ সত্যিই প্রকৃতির সাজানো এক মনোরম আঙ্গিনাচুনাপাথর শিল্পকে ঘিরে টেকেরঘাটে সৃষ্টি হয়েছে ভিন্ন ধর্মী এক জীবন প্রণালী সাধারনত প্রতি বছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত চুনাপাথর সংগ্রহের কাজ চলেচুনাপাথর সংগ্রহের কাজ বর্তমানে বন্ধ টেকেরঘাটের বড়ছড়া হচ্ছে কয়লা আমদানির ব্যবসা কেন্দ্র। এই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বড়ছড়াতে সৃষ্টি হয়েছে এক ভিন্ন ধারার জীবন পদ্ধতিপ্রতি বছর ভারত থেকে বৈধ উপায়ে লক্ষ লক্ষ টন কয়লা আমদানি হচ্ছে এই শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে।। ভারতের পাহাড়ী এলাকায় পাহাড়ী অধিবাসীদের কয়লা আহরণ পদ্ধতি, বিচিত্র জীবন ধারা আপনার জানার জন্য চমৎকার বিষয়কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আপনি দেখে আসতে পারেন পাহাড়ী অধিবাসীদের ভারতীয় ভূখন্ডপাহাড়ী বন্ধুদের জীবন ধারা আপনাকে নাড়া দেবে তাতে কোন সন্দেহ নেই

কিভাবে যাওয়া যায়:

বর্ষাকালে শহরের সাহেব বাড়ি নৌকা ঘাট থেকে ইঞ্জিন বোট বা স্পীড বোট যোগে সরাসরি টেকেরঘাট যাওয়া যায়। ইঞ্জিন বোটে ৫ ঘন্টায় এবং স্পীড বোটে ২ ঘন্টা সময় লাগে। সেক্ষেত্রে ইঞ্জিন বোটে খরচ হয় ২,০০০/- থেকে ২,৫০০/- টাকা পক্ষান্তরে স্পীড বোডে খরচ হয় ৭,৫০০/- থেকে ৮,০০০/- টাকা। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সেখানে রাত্রি যাপনের কোন ব্যবস্থা নেই তবে সরকারী ব্যবস্থাপনায় টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্পের রেস্ট হাউজে অবস্থান করা যায়। গ্রীষ্মকালে শহরের সাহেব বাড়ি খেয়া ঘাট পার হয়ে অপর পাড় থেকে মোটর সাইকেল যোগে ২ ঘন্টায় টেকেরঘাট যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ভাড়া মোটর সাইকেল প্রতি ৩০০/- টাকা।


Share with :

Facebook Twitter